Total Pageviews

Showing posts with label সময়ের ব্যবস্থাপনা. Show all posts
Showing posts with label সময়ের ব্যবস্থাপনা. Show all posts

Sunday, June 12, 2011

টার্গেট চেনো, ফোকাস করো, সফল হবে


সফল মানুষরা একসঙ্গে দশটা কাজ করেন— এই ধারণাটা ভুল। এক সময়ে
তাঁরা একটাই কাজ করেন, এবং সেই সময়টার জন্য অন্য সব কাজের কথা
ভুলে যান। পরমুহূর্তেই, এই কাজটা শেষ হয়ে গেলে, মন চলে
যায় অন্য কাজে। আলোচনা করছেন বিবেক দেবরায়
আমি কোনও কাজেই সাফল্য পাই না। ফাঁকিবাজ নই, অন্তত নিজের সাধ্যমত সমস্ত কাজ ভাল ভাবে করার চেষ্টা করি। কিন্তু পড়াশোনা, গান শেখা, বাড়ির কিছু কিছু দরকারি কর্তব্য— এই সব নানা দিক সামলে উঠতে পারছি না। মাঝে মাঝে মনে হয়, সাফল্য ব্যাপারটা সকলের জন্য নয়, যাদের হয় তাদের হয়, ওটা আসলে ভাগ্যের ব্যাপার। সত্যিই কি তা-ই?
জীবনে সাফল্যের নানা মাপকাঠি: যশ, অর্থ, প্রতিপত্তি, আরও কত কী। সাফল্যের সূচক যা-ই হোক না কেন, সফল ব্যক্তির সঙ্গে অসফলের একটা তফাত চোখে পড়ে। অসফল মানুষ সচরাচর পারিপার্শ্বিক বা বাতাবরণকে দোষারোপ করে থাকেন। বাবা-মা যদি একটা ভাল স্কুলে পাঠাতেন! বাবা-মায়ের যদি প্রচুর টাকাপয়সা থাকত, যদি বিদেশে পাঠিয়ে দিতেন পড়তে! যদি আমেরিকায় জন্মাতাম! পারিপার্শ্বিককে যখন বদলানো যাবে না, তখন তাকে দোষ দিয়ে লাভ কী? খুব কম সফল ব্যক্তিকেই বাতাবরণকে দোষ দিতে দেখেছি। বরং পারিপার্শ্বিককে স্বীকার করেই তাঁরা এগিয়ে চলেন। পারিপার্শ্বিকটা আসলে ইতিহাস বা অতীতের মতো। অতীতের একটি প্রতিশব্দ ভূত। সাফল্য বর্তমান ও ভবিষ্যৎ। ভূতে আটকা পড়ে থাকলে বর্তমান ও ভবিষ্যৎও হাত থেকে ফসকে যাবে।

শ্রম, মেধা আর অদম্য ইচ্ছাশক্তি নিয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে যে কোন কাজ করলে সাফল্য অবশ্যম্ভাবী।

undefined 
শ্রম, মেধা আর অদম্য ইচ্ছাশক্তি নিয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে যে কোন কাজ করলে সাফল্য অবশ্যম্ভাবী। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশীদের দেশের মুখ উজ্জ্বল করার দৃষ্টান্তও আছে অনেক। সম্প্রতি আমেরিকার ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব হেলথ থেকে গ্র্যান্ট এ্যাওয়ার্ডসহ চার-চারটি এ্যাওয়ার্ড পেয়ে প্রবাসী বাংলাদেশীসহ বাংলাদেশকে গৌরবান্বিত করলেন নর্থ ওয়েস্ট মিসৌরি ইউনিভার্সিটির কেমিস্ট্রি/ ফিজিক্স ফ্যাকাল্টির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. রফিক ইসলাম।
তিনি অধ্যাপনার পাশাপাশি নতুন কিছু উদ্ভাবন করার লক্ষ্যে নিজের মেধা ও শ্রমকে গবেষণা কাজে নিয়োজিত করেন। দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা চালিয়ে যান পলিসিসটিক কিডনি ডিজিস জ্বীন নিয়ন্ত্রণের ওপর। যেহেতু মানব দেহের কিডনি সেলে পলিসটিন নামক এক ধরনের প্রোটিন তৈরি হয়, যা কোন কারণে তৈরি নাহলে কিডনিতে ছোট ছোট টিউমার দেখা দেয় কিংবা কিডনি সেলে খুব বেশি পরিমাণে পলিসটিন তৈরি হলে কিডনি বিকল হয়ে মানুষের মৃত্যু পর্য্যন্ত ঘটতে পারে। সেজন্য এই জ্বীনটিকে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি হয়ে পড়ে। ড. রফিক ইসলামের কিডনি ডিজিস জ্বীনের নিয়ন্ত্রণের ওপর এ সাফল্য ভবিষ্যতে চিকিৎসার ক্ষেত্রে যথেষ্ট অবদান রাখবে বলা যায় নিঃসন্দেহে।

কর্মস্থলের সফলতা নিয়ে কিছু কথা


লেখাপড়া শেষ করে চাকরি নামক সোনার হরিণটি ধরতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়। তার চেয়েও বেশি কষ্ট করতে হয় ঠিকঠাকভাবে কর্মস্থলে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করা এবং চাকরি টিকিয়ে রাখা। চাকরি জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটি নির্দিষ্ট ছকের মধ্যে চলতে পারলে জীবন অনেক গোছানো হতে পারে। কর্মস্থলে আসবে সফলতা। উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আপনাকে হাতছানি দিয়ে ডাকবে। কর্মস্থলে দিনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চললে এসব ঝামেলা এড়ানো সম্ভব। এ জন্য সাজ পোশাক থেকে শুরু করে সহযোগীর সঙ্গে মানিয়ে চলা পর্যন্ত কিছু কৌশল আয়ত্ত করা জরুরি। এসব বিষয় নিয়ে রইলো কিছু পরামর্শ

একটা নতুন পরিবেশ –বহু সুযোগ সম্ভাবনা


উচ্চ শিক্ষাকে আপাততঃ এক অচেনা নতুন জগতের  মতো বলে মনে হয় । এ  যেন এক অচিন্তনীয় প্রত্যাহ্বান । আমরা আপনাদের  আমন্ত্রণজানাচ্ছি—এর  (উচ্চশিক্ষা) থেকে কী করে সবচে’ বেশি আদায় করে নিতে  পারি তাই নিয়ে ভাববার জন্যে কিছুটা সময় ব্যয় করুন। এই অনুশীলনটি মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করে অধ্যয়নের নতুন বিষয় যারা  অনুসন্ধান করছে তাদেরই  কথা মনে রেখে  সাজানো হয়েছে । স্কুল পর্যায়েযদি এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়ে থাকে , তবে  প্রথম বার্ষিক প্রারম্ভিকাতেই ( Orientation) এর কিছু উত্তর পাওয়া যাবে। এই অনুশীলনীটিব্যবহার করে মনে একটা  ‘বৃহৎ চিত্র’ কল্পনা করে নিয়ে  তার মধ্যি দিয়ে  হাতে-কলমে কাজ শুরু করো । তৈরি? আমরা ক’টি  মৌলিক প্রশ্ন দিয়ে শুরু করি এসো   ।

কোনো কিছু শেখার সবচে’ কাজের পথটাই হলো নিজেকে জানা


  • শেখার জন্যে তোমার সামর্থ্য ।
  • অতীতে যে পদ্ধতিগুলো তুমি সফলতার সঙ্গে ব্যবহার করেছো ।
  • যে বিষয়টি তুমি শিখতে চাইছো তার সম্পর্কে তোমার আগ্রহ এবং জ্ঞান ।
  • তোমার কাছে পদার্থবিজ্ঞান শেখাটা সহজ হতে পারে, কিন্তু টেনিস শেখাটা বড়ই কঠিন । এর উল্টোটাও সত্যি । শিক্ষা মাত্রেই একটা পদ্ধতি যা কিনা একাধিক ধাপ পেরিয়ে পুরো হয় । শেখার চারটা ধাপ হলোঃ এ পৃষ্ঠাটি ছেপে বের করো আর প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও । তাতে যে উত্তরগুলো পাবে তাই দিয়েই এবং অন্যান্য অধ্যয়ন নির্দেশিকার ( Study Guide) সাহায্য নিয়ে তোমার পরিকল্পনা তৈরি করে ফেলো ।

সময়ের ব্যবস্থাপনা


সময়ের ব্যবস্থাপনার  কৌশলগুলোর  বিকাশ হলো গে’ একটা যাত্রা। এই যাত্রা আমাদের এই  নির্দেশিকার সঙ্গে  আরম্ভ হতে পারে । কিন্তু যাত্রাপথে দরকার পড়বে  অনুশীলন এবং আরো  কিছু পথ নির্দেশিকার ।
এই আলোচনার একটা লক্ষ্য হলো—কী করে সময়ের  ব্যবহার করতে হয়  সে সম্পর্কে তোমাকে আত্মসচেতন হতে সাহায্য করা । তোমারবন্ধুবান্ধব, পরিবার এবং কাজকর্মের প্রেক্ষাপটে  এই লক্ষ্য তোমার  লেখাপড়ার কাজটিকে অনেক  সংহত, অগ্রাধিকার প্রদান এবং সফল হবার জন্যে একটা সহায়ক হিসেবে কাজ করে ।
প্রথমত ঃ তুমি  আমাদের  সময় ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত  অনুশীলনীটি দিয়ে  আরম্ভ করো।
প্রতিদিন তুমি তোমার   সময় কীকরে ব্যয় করো ?

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | JCPenney Coupons