Total Pageviews

Showing posts with label Foreign. Show all posts
Showing posts with label Foreign. Show all posts

Saturday, June 11, 2011

জাপান প্রবাসীদের প্রিয়মুখ নান্নু ভাইয়ের নাম মোঃ শহীদুল ইসলাম নান্নু


undefined
দিনবদলের স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশিরা পাড়ি জমায় প্রবাসে। বিভিন্ন প্রতিকূলতায় কেউ হয় নিঃস্ব। আর সততা, নিষ্ঠা এবং একাগ্রতায় কেউ জয় করে বিশ্ব। কর্মস্পৃহায় সন্তুষ্ট হয়ে নিজে দমে না থাকলেও হাসি ছড়ায় পরিবারে, সমৃদ্ধ করে দেশকে এবং ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে বাংলাদেশের। জাপান প্রবাসীদের প্রিয়মুখ নান্নু ভাইয়ের নাম মোঃ শহীদুল ইসলাম নান্নু। পিতা আব্দুল জব্বার মিয়া এবং মাতা মমতাজের প্রথম সন্তান তিনি। মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলায় ডহুরী নওপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণকারী নান্নু ছোটবেলা থেকেই ঢাকার গে-ারিয়াতে বড় হন। পড়ালেখার পাঠও শেষ করেন ঢাকাতেই। গে-ারিয়া হাইস্কুল থেকে ১৯৮২ সালে এসএসসি এবং শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী কলেজ থেকে ১৯৮৪ সালে এইচএসসি পাস করেন। এইচএসসি পাস করার পর আর পড়ালেখায় মন বসাতে পারছিলেন না তিনি। এ পাড়া ও পাড়া, এ বাড়ি ও বাড়ি এবং মহল্লার ওলিগলি কিংবা বাড়ির ছাদে আড্ডা মেরে তো আর ভবিষ্যৎ গড়া যাবে না। সেই বয়সে পূর্বপুরুষ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ব্যবসায় মনোনিবেশ করাও সম্ভব হচ্ছিল না। বয়সটাও অনুসন্ধিৎসু। সব কিছুতেই একটা এ্যাডভেঞ্ঝার ভাব। ১৯৮৫ সালে বন্ধুদের সঙ্গে পাড়ি জমান পশ্চিম জার্মানি। তখনো দুই জার্মানি এক হয়নি। কিছুদিন কাটান সেখানে। কোনো কাজ নেই। নিয়মিত এবং সীমিত খাবার দাবার সব কিছুতেই একটা বাধাধরা নিয়ম। তার ওপর তথাকথিত উন্নত জাতির দাবিদার ব্লু ব্লাডখ্যাত জার্মান জাতির ব্যবহার তার ভালো লাগেনি। তাই বেশি দিন জার্মানিতে থাকা সম্ভব হয়নি। চলে আসেন ব্যাঙ্কক। পরিচয় হয় অন্য দুই বাংলাদেশির সঙ্গে। তখন জাপান আসার ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যাঙ্কক অনন্য। বাংলাদেশে না ফিরে দুই বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে ১৯৮৫ সালে নান্নু মাত্র ১৯ ডলার সম্বল সঙ্গে করে জাপানে পা রাখেন। ওঠেন এক বন্ধুর এক রুমবিশিষ্ট বাসায়। যেখানে গাদাগাদি করে থাকতে হয়েছে ছয় জনকে। অনেক রাত কাটাতে হয়েছে পার্কের বেঞ্চে। সেই নান্নু নিজের যোগ্যতায় আজ প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। নিজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন, পুরো পরিবারকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

অক্সফোর্ডে কৃতী বাঙালি তরুণী


undefined
সাবিরা ইয়ামীন
সমস্ত পৃথিবীটাই সাবিরার কাছে নীরব-নিঝুম। ছোটবেলা থেকেই সাবিরা শুনতে পান না। বলতে পারেন না কথা। মেয়ের পড়ালেখা হবে কি না এই ভেবে মহা দুশ্চিন্তায় পড়েছিলেন মা-বাবা। সেই সাবিরাই শেষতক কীভাবে পৌঁছে গেলেন বিশ্বের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ অক্সফোর্ড অবধি? বনে গেলেন অক্সফোর্ডের গবেষক? পড়ুন এবারের মূল রচনায়।

মেয়েটির জন্ম হয়েছিল তার যখন জন্ম হওয়ার কথা, তার দুই মাস আগেই। ১৯৮৪ সালের জুলাই মাসে। মা-বাবা দুজনই তাই অত্যন্ত উৎকণ্ঠিত ছিলেন। জন্মের পর মা তাকিয়ে দেখেছিলেন সদ্যভূমিষ্ঠ সন্তানটিকে। দেখলেন, ভারি সুন্দর। চিৎকার করে কাঁদছে। খুশি হলেন মা-বাবা দুজনই। তবে সন্তানটি বাঁচবে কি না, তা নিয়ে আশঙ্কা করলেন নামকরা ডাক্তার, দেখাশোনা করছিলেন—এই যা ভরসা। কিন্তু সন্তানটি জন্ম নেওয়ার এক সপ্তাহ পরই তার জটিল সমস্যা দেখা দিল—নিউমোনিয়া হলো। তাকে বাঁচানো যাবে কি না, সেটাই আশঙ্কার কারণ হয়ে দেখা দিল। ডাক্তার তাকে একটি অ্যান্টিবায়োটিক দিলেন ইনজেকশনের মাধ্যমে। বহু চিকিৎসা আর পরিচর্যার পর সে বেঁচে গেল। তার পরও চলল অব্যাহত যত্ন নেওয়ার পালা। কয়েক মাস বয়সের পর সে বড় হতে থাকল ধীরে ধীরে—অন্য সব সন্তানের মতো। ফুটফুটে মেয়েটির হাসি দেখে তার আত্মীয়স্বজন সবাই খুশি।

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | JCPenney Coupons